অটোরিকশাচালক শাহ আলম গুরুতর আহত অবস্থায় মোরশেদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

শাহ আলম প্রথম আলোকে বলেন, অটোরিকশায় কোনো যাত্রী ছিলেন না। হঠাৎ ট্রাফিক পুলিশ অটোরিকশাটিকে ধাওয়া দেয়। এ সময় মোরশেদ রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তিনি একবার রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন, আবার থেমে যাচ্ছিলেন।

এমন পরিস্থিতিতে অটোরিকশার ব্রেক চাপেন শাহ আলম। এতে অটোরিকশাটি উল্টে যায়। অটোরিকশার নিচে চাপা পড়েন মোরশেদ।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মোরশেদের লাশ কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। অটোরিকশাচালক শাহ আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে। নিহত ব্যক্তির বড় ভাই খোরশেদ আলম জানান, মোরশেদের স্ত্রী ও এক সন্তান আছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন