বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রায়েরবাজারের বাসিন্দা পারুল বেগম। তিনি ফুটপাতে সবজি বিক্রি করেন। পারুলের টিকা কার্ড হারিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু প্রতিবেশী একজনের মুঠোফোনে সেই টিকা কার্ডের ছবি তোলা ছিল। পরে পারুলের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী স্বেচ্ছাসেবকেরা বলেন, কারও কার্ড হারিয়ে গেলে ওই ব্যক্তি যদি মোবাইলে তোলা ছবি বা ফটোকপি দেখাতে পারেন, তাহলে তাঁর টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
গণটিকা কার্যক্রমের আওতায় টিকা গ্রহণকারীদের মুঠোফোনে খুদেবার্তা পৌঁছায়নি। এলাকাগুলোয় গভীর রাত পর্যন্ত মাইকিং করা হয়েছে। মাইকিং শুনেই টিকা নিতে গিয়েছেন মানুষ।

default-image

এমন একজন রায়েরবাজার গদিঘর এলাকার বাসিন্দা মো. জুয়েল হোসেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল রাত সাড়ে ১১টায় মাইকে ঘোষণা দিতে শুনি যে আজকে টিকা দেওয়া হবে। সকাল ৬টায় কেন্দ্রে আসি।’ পরে সোয়া ১০টায় তিনি টিকা নেওয়ার সুযোগ পান।

default-image

রায়েরবাজার পানির পাম্প এলাকার বাসিন্দা মুকুলজান বেগম। প্রবীণ এই নারী ভোর সাড়ে পাঁচটায় এসে লাইনে দাঁড়িয়েও ৫০ থেকে ৬০ জনের পেছনে ছিলেন। সকালে টিকা দেওয়া শুরুর আগে পুলিশ সদস্যরা এসে তাঁকে প্রথম ৩০ জনের মধ্যে টিকা দেওয়ার সুযোগ করে দেন। তিনি বলেন, ‘আমি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে পারতাছিলাম না। তহন পুলিশেরা আমাকে ভেতরে ঢোকার সুযোগ কইরা দেয়।’

আজ ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডের নির্ধারিত ৫৪টি কেন্দ্রেই টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত তিন দিনের প্রতিদিন প্রতিটি কেন্দ্রেই প্রথম ডোজের দ্বিগুণসংখ্যক, অর্থাৎ ৭০০ জনকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। গত ৭ ও ৮ আগস্টে প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারীরা আজ টিকা নিচ্ছেন। গত ৯ ও ১০ আগস্টে টিকা গ্রহণকারীরা ৮ সেপ্টেম্বর এবং ১১ ও ১২ আগস্টে টিকা গ্রহণকারীরা ৯ সেপ্টেম্বর টিকা নেওয়ার সুযোগ পাবেন। যে কেন্দ্র থেকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছিল, একই কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়া যাবে।

ডিএনসিসির নির্ধারিত ৫৪টি টিকাকেন্দ্রে গত ৭ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত একযোগে পরিচালিত গণটিকার আওতায় ১ লাখ ১৩ হাজার ৪০০ জনকে কোভিড-১৯–এর টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছিল।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন