default-image

গতকাল রোববার দিবাগত রাত পৌনে তিনটায় পুলিশের ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’–এ ফোন করেন এক যুবক (২৮)। ওই যুবক ফোন করে বলেন, তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আত্মহত্যা করার জন্য অনেকগুলো ঘুমের ওষুধ খেয়েছেন।

যুবকের অবস্থান জেনে তাঁর সঙ্গে সংযোগ করে দেওয়া হয় সবুজবাগ থানা-পুলিশের। পরে পুলিশের একটি দল ওই যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসার পর যুবক এখন শঙ্কামুক্ত। ফিরেছেন পরিবারের কাছে।

৯৯৯–এর ফোকাল পারসন ও পুলিশের পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ওই যুবক একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর ছাত্র এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। সম্প্রতি তাঁর চাকরি চলে যাওয়ায় তিনি অর্থসংকটে পড়ে যান, তারও আগে শেয়ারবাজারে তিনি লোকসানের মুখে পড়েন। অল্প কয়েক মাস আগে তিনি বিয়ে করেছেন এবং তাঁর স্ত্রী সন্তানসম্ভবা।

তাঁর পরিবারে নানা রকম সমস্যার কথা জানিয়ে যুবক ৯৯৯-কে জানান, তিনি আর মানসিক চাপ নিতে না পেরে ঘুমের ওষুধ খেয়েছেন। এখন তিনি ভুল বুঝতে পেরেছেন। তিনি বাঁচতে চান। তিনি জানান, তাঁর শরীর খুব খারাপ হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।

বিজ্ঞাপন

৯৯৯ যুবকের কাছ থেকে তাঁর অবস্থান জানতে পারে। যুবকটি ঢাকার সবুজবাগ থানাধীন মধ্য বাসাবোর একটি বাসায় থাকেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর সঙ্গে সবুজবাগ থানার ডিউটি অফিসারের কথা বলিয়ে দেওয়া হয়। সংবাদ পেয়ে সবুজবাগ থানার একটি দল যুবকের বাড়িতে পৌঁছে যায়।

পরে ভোররাত সাড়ে চারটায় সবুজবাগ থানার এএসআই মনির ৯৯৯–এ ফোনে জানান, তিনি কলারকে অর্ধচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশের টহল গাড়িতে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। সেখানে দ্রুত তাঁর পাকস্থলী পরিষ্কার করে চিকিৎসা করা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, যুবক এখন আশঙ্কামুক্ত। পরে কলারকে ভোরে পুলিশের টহল গাড়িতে করে তাঁর বাসায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন