বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে গত বৃহস্পতিবার ওই রিট আবেদন করা হয়। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাইনুল হাসান।

পরে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ প্রথম আলোকে বলেন, গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, চালে ওভার পোলিশ ও ছাঁটাইয়ের কারণে জিংক, ভিটামিন, ক্যালসিয়ামসহ বিভিন্ন খাদ্যমান কমে যায়। এ কারণে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। যে কারণে রিটটি করা হলে আদালত রুলসহ ওই আদেশ দেন।

রুলে বিভিন্ন অটো রাইস মিল কর্তৃক দেশে উৎপাদিত বিভিন্ন চাল কেটে বা ছেঁটে পুষ্টিগুণ নষ্ট করে বাজারজাত বা বিক্রি করাতে জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে, তা বন্ধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং তা বন্ধে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চাল কেটে বা ছেঁটে পুষ্টিগুণ নষ্ট করে বাজারজাত বা বিক্রি করা বন্ধে নির্দেশনা বা গাইডলাইন তৈরি করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, সে বিষয়েও রুল হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, খাদ্যসচিব, কৃষিসচিব, বাণিজ্যসচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অটো রাইস মিলস মালিক সমিতি সভাপতি বা সম্পাদকসহ বিবাদীদের তিন সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন