বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এত বড় একটি শহরে দু-একটি ঘটনা ঘটবে; এগুলো প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কারও নেই। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। পুলিশের পাশাপাশি মানুষের দায়িত্ব রয়েছে। আপনার জীবন ও সম্পদ রক্ষার প্রাথমিক দায়িত্ব আপনার। এরপর আসে রাষ্ট্রের কাছে। রেললাইনের ওপর যদি আপনি শুয়ে থাকেন আর ভাবেন পুলিশ এসে রক্ষা করবে, এটা কোনো বুদ্ধির কাজ নয়। এর মধ্যে কেউ যদি আক্রান্ত হন, সেগুলো আমরা নিশ্চয়ই দেখব।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সাধারণত যে বিষয়গুলো বলে থাকি, সেগুলো যদি মানুষ মেনে চলে, তাহলে তার জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা অনেকটাই নিশ্চিত হয়। যে যেখানেই যান, আপনার মূল্যবান সম্পদে হেফাজত নিচ থেকে করবেন।’

default-image

ঈদগাহে চার স্তরের নিরাপত্তা

জাতীয় ঈদগাহে চার স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদের জামাতে আগত মুসল্লিরা জায়নামাজ ও ছাতা সঙ্গে নিয়ে আসতে পারবেন। এর বাইরে কোনো কিছু সঙ্গে নিয়ে আসতে “না” করছি আমরা। এ ছাড়া প্রত্যেকের তল্লাশির মধ্য দিয়ে আর্চওয়ে গেট দিয়ে ঈদগাহে ঢুকতে হবে। কারও সঙ্গে ব্যাগ থাকলে তা–ও তল্লাশি করা হবে।’

কমিশনার বলেন, এবারের ঈদে ঢাকায় ছোট–বড় ঈদগাহ এবং মসজিদ মিলে মোট ১ হাজার ৪৬৮টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সব কটিতেই নিরাপত্তা দেবে ডিএমপি। এ ছাড়া জাতীয় ঈদগাহে জামাতের আগে সুইপিং করবে বোমা ডিস্পোজাল ইউনিট, চারপাশে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা। ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করবে ডিএমপির টিম।

তল্লাশি করতে সময় লাগার কারণে ঈদগাহের জামাতে মুসল্লিদের নির্ধারিত সময়ের আগে আসার অনুরোধ করেন ডিএমপি কমিশনার। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঈদের প্রধান জামাত বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হলে সেখানেও একই ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ঈদের জামাতে জঙ্গি হামলার কোনো হুমকি নেই বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন