আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে তাঁদের বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছিল। এ দফায় আবারও তার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে ন্যায্য দাবির অরাজনৈতিক আন্দোলনকে বানচাল করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় ছাত্র নিহত হওয়ার পর বাসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কোনোভাবেই ছাত্রছাত্রীদের ওপর দায় চাপানো যাবে না বলে মনে করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ওই দিন দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হন। ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিক সম্প্রচারও হয়েছিল। ফলে ওই ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের জড়িত থাকার অবকাশ নেই।

ছাত্রছাত্রীরা বলেন, সড়কে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পিষে মেরে ও উসকানি দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করছেন পরিবহনশ্রমিক, গাড়িচালক ও আমলারা। তাঁরা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উসকানিদাতাদের খুঁজে বের করে বিচারের দাবি করেছেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘এটা কোনো তামাশার বিষয় নয় যে শুধু এই আন্দোলনের দশ দিনে কমপক্ষে ছয়জন শিক্ষার্থীকে সড়কে পিষে মারা হয়েছে। মামলা কি না ওই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই।’ তাঁরা দ্রুত ওই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাফ পাসের দাবি মেনে নিয়ে তাঁদের ঘরে ফিরে যেতে সাহায্য করার অনুরোধ জানান।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন