রোববার দুপুরে এ ঘটনার পর বিকেলে জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ মিহির লাল সাহা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্র সাগর সরকার। তিনি গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। সংশ্লিষ্ট নেতা সত্যজিৎ দেবনাথ জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক। ভূতত্ত্ব বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র তিনি।

সাগর সরকার অভিযোগ করে বলেন, তিনি জগন্নাথ হলের সন্তোষচন্দ্র ভট্টাচার্য ভবনের ১০০১১ নম্বর কক্ষে থাকেন। বেলা আড়াইটার দিকে সত্যজিৎ দেবনাথ কয়েকজনকে নিয়ে তাঁর কক্ষে আসেন। দুপুরের খাবার খেয়ে তখন কক্ষে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তিনি। ২৯ ডিসেম্বর থেকে চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা থাকায় তিনি ছাত্রলীগের নিয়মিত কর্মসূচিতে যেতে পারছেন না। এ নিয়ে সত্যজিৎ তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ।

সাগরের ভাষ্য, ‘কক্ষে ঢুকে সত্যজিৎ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন শুরু করেন। পরে ভবনের দশম তলা থেকে তিনি আমার বিছানা নিচে ফেলে দেন।’

জানতে চাইলে সত্যজিৎ দেবনাথ বলেন, ‘সাগরকে তিনি শারীরিক নির্যাতন করেননি। একটু ধমক-টমক দেওয়া হয়েছে। ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে অনিয়মিত থাকায় এটি করা হয়েছে।’

এ ঘটনা জেনেছেন জানিয়ে হল প্রাধ্যক্ষ মিহির লাল সাহা প্রথম আলোকে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে কর্মসূচিতে না যাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থীর গায়ে হাত তোলার রাজনীতি ছাত্রলীগ করে না এবং ছাত্রলীগের কেউ এমন কাজ করে থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন