সোমবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রাকিবুল হাসান প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানীর কাছে এই অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগপত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অতনু বর্মণকে হামলার নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে রাকিবুল বলেন, ‘গত শুক্রবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতার সংগ্রাম ভাস্কর্যের সামনে দিয়ে মোটরসাইকেলে করে হাজী মুহসীন হলে যাচ্ছিলাম। আমার মোটরসাইকেল ইউটার্ন করার সময় সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়িয়ে গেলে অতনু বর্মণ ও তাঁর সহযোগীরা আমাকে গালাগালি শুরু করেন। প্রত্যুত্তরে তাঁদের দাঁড়াতে বলায় অতনু রেগে যান। এ সময় তাঁর সহযোগী ও উপস্থিত জগন্নাথ হলের ছাত্রদের আমার ওপর হামলার নির্দেশ দেন। তাঁদের এলোপাতাড়ি মারধরে আমার গলা, কান ও মাথার বেশ কিছু জায়গা কেটে যায় এবং শরীর ফুলে যায়। আমি অজ্ঞান হয়ে গেলে বন্ধুরা এসে আমাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় তারা। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে বিচার চাই।’

জানতে চাইলে প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী প্রথম আলোকে বলেন, লিখিত অভিযোগটি তিনি পেয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সহকারী প্রক্টরের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

অভিযোগের বিষয়ে অতনু বর্মণ বলেছেন, ‘ওই ছাত্রকে কোনো ধরনের মারধর করা হয়নি। তাঁর সঙ্গে আমার শুধু তর্কাতর্কি হয়েছে। সে প্রথমে আমাকে চিনতে পারেনি।

সে যেহেতু আমার ক্যাম্পাসের জুনিয়র, তাই পরে সে আমাকে সরি (দুঃখিত) বলেছে। ব্যস্ততা থাকায় পরে আমি সেখান থেকে চলে আসি, সে-ও চলে যায়।’
আরও পড়ুন:

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন