বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত ব্যক্তির নাম আলমগীর হোসেন (৪০)। তাঁর বাড়ি শরিয়তপুরের পালং উপজেলার ছোট বিনদপুর গ্রামে। বাবার নাম আবুল হাসেম ব্যাপারী। আলমগীরের তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তাঁর পরিবার গ্রামে থাকলেও তিনি ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের জিনজিরায় থাকতেন।

ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ব্যক্তির নাম আনোয়ার হোসেন (৩৮)। তিনি মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনিও জিনজিরায় থাকেন।

কোতোয়ালি থানার পুলিশ জানায়, আলমগীর ও আনোয়ার দিনমজুর। তাঁরা জিনজিরা থেকে বালুরঘাট এলাকায় এসে কাজ করছিলেন। ভোররাত চারটার দিকে তাঁরা ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতের শিকার হন। দুজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ জানায়, আলমগীরের অবস্থার অবনতি হওয়ায় মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে আজ দুপুরের দিকে তিনি মারা যান।

সহকর্মী মাহবুল খান জানান, আলমগীর ও আনোয়ার আজ ভোররাতে বালুরঘাট এলাকায় ট্রাক থেকে ভাঙারির মালামাল নামাচ্ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি তাঁদের কাছে দৌড়ে এসে জানান, ছিনতাইকারীরা তাঁর বিদেশ যাওয়ার কাগজপত্র ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। ওই ব্যক্তি তাঁদের কাছে সহযোগিতা চান। তখন আলমগীর ও আনোয়ার দৌড়ে ছিনতাইকারীদের ধরতে যান। তাঁদের ছুরিকাঘাত করে নৌকা নিয়ে বুড়িগঙ্গা নদীর ওপার চলে যায় ছিনতাইকারীরা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ পুলিশ বক্সের পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, আলমগীরকে সকালে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁর বুকের ডান পাশে, ডান গালে ও হাতের বেশ কয়েকটি স্থানে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন