বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার হামিদুল ইসলামের মেয়ের স্বামী মাকসুদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, পুরান ঢাকায় তাঁর শ্বশুরের কয়েকটি ফ্ল্যাট আছে। একজন তত্ত্বাবধায়ক ফ্ল্যাটগুলোর দেখাশোনা করেন ও ভাড়া তোলেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তাঁর শ্বশুর (হামিদুল) বাসা থেকে বেরিয়ে ওই তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে দেখা করতে যান। রাত সাড়ে আটটার দিকে ভাড়ার টাকা নিয়ে বাসায় ফেরার পথে খুন হন।

মাকসুদুর আরও বলেন, হামিদুলের পরিবার রাতে সংবাদমাধ্যমের খবর থেকে তাঁর মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। রাত ১০টার পর সাধারণত বাইরে থাকতেন না হামিদুল, ফোনও কখনো বন্ধ রাখতেন না। অনেকবার ফোন করেও যখন ফোন ধরছিলেন না তিনি, তখনই খারাপ কিছুর আশঙ্কা করছিল পরিবার।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন