বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেশের মানুষ হৃদয় দিয়ে ধর্ম পালন করে। সেখানে আঘাত এসেছিল উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান বলেন, জনগণ ও পুলিশ একসঙ্গে কাজ করলে অপরাধ ঘটার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। সমাজ ও দেশের শান্তি–শৃঙ্খলায় কমিউনিটি পুলিশিংয়ের অনেক দায়িত্ব রয়েছে।

কুমিল্লার ঘটনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে ধরনের উসকানি আসছিল, জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা বা আকৃষ্ট করে সহিংসতার দিকে নিয়ে যাচ্ছিল, তাতে বড় ধরনের ঘটনা ঘটে যেতে পারত। পুলিশ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সেটা রুখে দিয়েছে।

বর্তমানে সাইবার অপরাধ অনেক বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সাইবার অপরাধ ধারণার বাইরে বেড়ে যাচ্ছে। সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।

সাইবার অপরাধ বিশ্বকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বলেন, সাইবার অপরাধ দেশের জন্য যে ধরনের হুমকি তৈরি করছে, সেই লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিতে হবে। এই ঝুঁকি থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে।

আইজিপি বলেন, পুলিশিংয়ে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে পুলিশ বাহিনীকে নারী, শিশু ও জনবান্ধব, সর্বোপরি মানবিক পুলিশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। অপরাধ–ভীতিমুক্ত সমাজ কায়েম করতে হবে।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কথাসাহিত্যিক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, দেশের জনসংখ্যার তুলনায় পুলিশ সদস্য অনেক কম। তাই অপরাধ করার পর অপরাধীকে ধরার জন্য বসে না থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে অগ্রিম ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে সমাজ থেকে অপরাধ কমবে। বন্ধ হবে বাল্যবিবাহ ও ইভ টিজিংয়ের মতো অপরাধ।

অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এলাকাবাসীর সঙ্গে নিয়ে সমন্বয় করে কীভাবে অপরাধীদের প্রতিরোধ করা যায়, অপরাধ করে ফেললে কীভাবে তাদের বিচারের আওতায় আনা যায়, সেটা নিয়ে ভাবুন।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন