বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, পর্যায়ক্রমে সরকারের সব সায়রাত মহালের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশনের আওতায় চলে আসবে। ইতিমধ্যে ৭৬ শতাংশ সরকারি ভূসম্পদ, খাসজমি ও সায়রাত মহালের তফসিল ভূমি তথ্যব্যাংকে আপলোড করা হয়েছে।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমি তথ্যব্যাংক চালু হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট প্রকৃত পেশাজীবী ও ব্যবসায়ীদের কাছে স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সঙ্গে সরকারি সম্পদ ইজারা দেওয়া সম্ভব হবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভূমিসচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মাহবুবুল হক।

ভূমিসচিব মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রচলিত পদ্ধতিতে জলমহাল ইজারার আবেদন প্রক্রিয়ায় মধ্যস্বত্বভোগী ও দালালেরা বিভিন্ন অপকৌশল করত। এতে প্রকৃত মৎস্যজীবীরা নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতেন। এখন আর সেই সুযোগ নেই।

সারা দেশে ১৪ লাখের বেশি মৎস্যজীবীর রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মাহবুবুল হক বলেন, অনলাইনে জলমহাল আবেদন ব্যবস্থার কারণে প্রকৃত মৎস্যজীবীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে জলমহাল ইজারা গ্রহণ করতে পারবেন।

ভূমি মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান সোলেমান খানসহ ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর আওতাভুক্ত দপ্তর, সংস্থা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন