চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদের দিন প্রায় ৩৫ হাজার দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে চিড়িয়াখানায়। ঈদের দ্বিতীয় দিন এ সংখ্যা ছিল এক লাখের অনেক বেশি। আজ বিকেলে চিড়িয়াখানায় গিয়ে দেখা যায়, চিড়িয়াখানার সামনে থেকে রাইয়ান খোলা মোড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কজুড়ে দর্শনার্থীদের ভিড়। দর্শনার্থীদের চাপ সামলাতে বাঁশ দিয়ে বেশকিছু অস্থায়ী প্রবেশপথ তৈরি করা হয়েছে। আর বের হওয়ার জন্য মূল ফটক খুলে দেওয়া হয়েছে।

default-image

মাত্রাতিরিক্ত ভিড় থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে দর্শনার্থীদের। রাজধানীর কেরানীগঞ্জ থেকে তিন পরিবারের আট সদস্য মিলে চিড়িয়াখানায় ঘুরতে আসেন। তাঁদের একজন হুমায়ুন কাজী বলেন, ‘চিড়িয়াখানার বাইরে যেমন ভিড়, ভেতরেও তেমন। এত মানুষের জন্য ঘুরে ঘুরে ভালোভাবে দেখা যাচ্ছিল না, তাই অনেক কিছু না দেখেই বের হয়ে চলে এসেছি।’

তাঁদের আরেকজন ইসরাত জাহান বলেন, চিড়িয়াখানার ভেতর খুব নোংরা। খাচার ভেতরও নোংরা। খাচা থেকে গন্ধ বের হচ্ছিল। প্রাণীগুলোর অবস্থাও খুব একটা ভালো ছিল না, অসুস্থ মনে হয়েছে।

default-image

চিড়িয়াখানা দেখার জন্য জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা থেকে আসেন ২০-২৫ জন। তাঁদের একজন তাজমা বলেন, ‘চিড়িয়াখানা দেখার জন্যই আসা। মানুষজন বেশি। ছেলেপেলে নিয়ে থাকা যাচ্ছে না। তাই তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসছি।’ তাজমার মেয়ে মরিয়ম আক্তার বলে, বাঘ, ভালুক, হরিণ, কুমির অনেক ভালো লেগেছে।

ঈদে দর্শনার্থী সামাল দেওয়ার জন্য ইজারাদার প্রতিষ্ঠান রাইদ ট্রেডিং বাড়তি টিকিট চেকার নিয়োগ দিয়েছে। নুরুল আমিন নামের একজন টিকিট চেকার বলেন, ‘আজকে সকাল আটটায় এসে দেখি চিড়িয়াখানার সামনে মানুষে ভরা। সকাল নয়টায় চিড়িয়াখানার গেট খোলা হয়েছে। ঈদের দিন কিছুটা কম ভিড় ছিল। গতকাল প্রচণ্ড ভিড় ছিল। আজকেও অনেক ভিড়, তবে গতকালের চেয়ে কম। আগামীকাল শুক্রবার আবার ভিড় হতে পারে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন