তবে রোববারের বৈঠকে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখানো ও সংরক্ষণ করা নিয়ে লঞ্চমালিকদের কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বিআইডব্লিউটিএ। যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে জাতীয় পরিচয়পত্র বহন করার জন্য টেলিভিশনে স্ক্রলসহ গণমাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা নিতে বিআইডব্লিউটিএকে প্রস্তাব দেন লঞ্চমালিকদের প্রতিনিধিরা।

সভায় অন্তত ৫০ শতাংশ টিকিট অনলাইনে বিক্রির জন্য বলা হয় মালিকদের। এ ছাড়া ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন না করা, লঞ্চের মাস্টার ব্রিজসহ ছাদে যাত্রী না নেওয়া, মাঝনদীতে লঞ্চ দাঁড় করিয়ে নৌকা দিয়ে যাত্রী না ওঠানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়। ঈদের বিশেষ লঞ্চ চলাচলে শৃঙ্খলা নিশ্চিতে দেশের সব নদীবন্দরে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনসহ নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও বিআইডব্লিউটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেকের সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মুখ্য পরিদর্শক শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সহসভাপতি আবুল কালাম খান, লঞ্চ মালিক সমিতির মহাসচিব শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, নৌ পুলিশ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা-বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনার পর চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআইডব্লিউটিএ। এতে লঞ্চে ওঠার আগে যাত্রীদের অগ্রিম টিকিট দেওয়ার জন্য মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রথম শ্রেণির (কেবিন) যাত্রীদের এমনিতেই অগ্রিম টিকিট নিয়ে লঞ্চ ভ্রমণ করতে হয়। তবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত এ নির্দেশ পালন করছেন না মালিকেরা।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন