বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, প্রতিষ্ঠাকাল থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাব ‘গণতন্ত্র ও সহিষ্ণুতার আধার’ হিসেবে ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। এ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে এ প্রতিষ্ঠানের রয়েছে গৌবরোজ্জ্বল ভূমিকা। সব মত ও পথের মানুষের কণ্ঠ উচ্চকিত করার, প্রতিবাদ করার, জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলার নিরাপদ স্থান জাতীয় প্রেসক্লাব। অথচ বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটি সেই ঐতিহ্য ভূলুণ্ঠিত করে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভেতরে সব দলের রাজনৈতিক সমাবেশ ও কর্মসূচি বন্ধ ঘোষণা করেছে। প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্তের বরাতে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তাতে একপেশে এই সিদ্ধান্তের পক্ষে কোনো জোরালো যুক্তি বা প্রমাণ চোখে পড়েনি।

সাংবাদিক নেতারা বলেন, বিনা ভোটে ক্ষমতাসীন বর্তমান সরকার এমনিতেই বিরুদ্ধবাদীদের কণ্ঠরোধ করতে নানামুখী অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। সরকার নিজেকে গণতান্ত্রিক দাবি করলেও বিরোধী দলের রাজনৈতিক সভা-সমাবেশের ওপর অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে। এ পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র স্কোয়ার হিসেবে খ্যাত জাতীয় প্রেসক্লাব গণতান্ত্রিক চেতনার ধারক হিসেবে তাদের কিছুটা সুযোগ দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই। তাছাড়া প্রধানত বিরোধী মতাদর্শের দলগুলোর কাছে দেওয়া হল ভাড়া আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। সেখানেও কর্মসূচি পালনে নিষেধাজ্ঞা ক্ষমতাসীন অগণতান্ত্রিক সরকারের ভিন্নমত স্তব্ধ করার ধারাবাহিক এজেন্ডার অংশ বলে নেতৃবৃন্দ মনে করেন।

অবিলম্বে এ হঠকারী সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে দেশে গণতান্ত্রিক সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত ও তা বিকশের পক্ষে অবদান রাখার জন্যে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান সাংবাদিক নেতারা।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন