বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, নারীর ‘না’কে ‘না’ বলে স্বীকার করতে হবে। ধর্ষককেই প্রমাণ করতে হবে সে অপরাধী নয়। এই আইন করতে হবে। বিতর্কিত সাক্ষ্য আইন বাতিল করতে হবে। বিচারকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমাজের প্রতি, নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়ে সচেতন করতে হবে।

রেইনট্রি হোটেলের মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে পুরুষতান্ত্রিক ভাষা আছে বলে উল্লেখ করেন মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু। তিনি বলেন, এই পর্যবেক্ষণ অপরাধকে উৎসাহ দেবে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র নারীকে এমনভাবে বেঁধে রেখেছে যে নারীর বিচার চাইতে যাওয়াই দুরূহ। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল, এমন বিচারকের নিয়োগ পাওয়া উচিত। একজন বিচারকের অপসারণই যথেষ্ট নয়। সংবেদশীল করতে বিচারব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন মহিলা পরিষদের সহসভাপতি রেখা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম, ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক রেহানা ইউনূস প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন