বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, প্রায় ঘণ্টাখানেক এলাকার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখেন মেয়র। একপর্যায়ে মেয়রকে বলতে শোনা যায়, নগর পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব নাগরিকদেরও রয়েছে। দোকানিরা দোকান খোলার পর নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা না রেখে, তা রাস্তায় ফেলছেন। এ ময়লা নর্দমাতে যাওয়ার পর সেখানে পানিপ্রবাহে প্রতিবন্ধকতার তৈরি হচ্ছে। এসব না করার অনুরোধ জানান তিনি।

ওই এলাকার বিভিন্ন সড়ক ঘোরার সময় মেয়র দেখতে পান, কেউ ফুটপাতে মালামাল রেখেছেন, কেউ খাবার হোটেল বসিয়েছেন, কেউ দোকানের সামনে টেবিল বসিয়েছেন ক্রেতাদের জন্য। ফুটপাত থেকে এসব সরাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন মেয়র আতিকুল।
মেয়রের সঙ্গে থাকা তাঁর সহকারী একান্ত সচিব ফরিদ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, কাউকে না জানিয়েই তাঁরা ওই এলাকায় পরিদর্শনে গেছেন। পর্যায়ক্রমে উত্তর সিটির বিভিন্ন এলাকায় হুট করেই এভাবে পরিদর্শনে যাবেন মেয়র।

default-image

এমন ঝটিকা পরিদর্শনের কারণ জানতে চাইলে উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘দেখুন, মেয়রের চেয়ারে বসেছি এই পদ উপভোগ করার জন্য নয়। নাগরিক সেবার কী অবস্থা, তা তো অফিসে বসে দেখা যায় না। তাই কৌতূহল থেকেই হুট করে ঝটিকা পরিদর্শনে গিয়েছি।’

মেয়র আতিকুল বলেন, নগরীকে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন করতে হলে নগরবাসীকেও সহযোগিতা করতে হবে। এককভাবে কোনো সংস্থা অব্যবস্থাপনা দূর করতে পারবে না। কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান মেয়র আতিকুল ইসলাম। একই সঙ্গে জনভোগান্তি তৈরি করে যাঁরা ফুটপাত ও সড়কে নির্মাণসামগ্রী রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন