বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক এস এম আইউব হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, শাহিনুরের শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলার সুগন্ধা নদীতে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ যাত্রীবাহী লঞ্চে আগুন লাগে। এ ঘটনায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ২১ জন ভর্তি হন। এর মধ্যে ৫ জনকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। দুজন মারা গেছেন। এখন চিকিৎসাধীন আছেন ১৪ জন।

শাহিনুরের বোন শাহিদা খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায়। স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে কেরানীগঞ্জে থাকতেন তিনি।

শাহিনুরের স্বামী বাচ্চু মিয়া সেখানে ওষুধের ব্যবসা করেন। অসুস্থ এক আত্মীয়কে দেখতে প্রায় চার বছর পর স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে বরগুনায় যাচ্ছিলেন শাহিনুর খাতুন।

লঞ্চ দুর্ঘটনায় তাঁরা চারজনই দগ্ধ হন। এর মধ্যে বাচ্চু মিয়ার শরীরের ৪ শতাংশ এবং মেয়ে ইশরাত জাহান সাদিয়ার ২০ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তাঁরা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন। শাহিনুরের ছেলে সাইফুল্লাহ সাদিক সামান্য দগ্ধ হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন