বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সজল কুমার দাস নামের একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক বলেন, গত জুলাইয়ে কিউকমকে তিনটি বাইক বাবদ ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়েছেন তিনি, কিন্তু পণ্য পাননি। কিউকম থেকে তাঁর টাকা ফস্টারে রিফান্ড হয়েছে। কিন্তু এসএমএস পেলেও তিনি টাকা ফেরত পাচ্ছেন না।

default-image

আবদুল্লাহ আল মামুন নামের আরেকজন অভিযোগ করে বলেন, কিউকমের গ্রাহকদের টাকা ফস্টারের কাছে আছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক ফস্টারের টাকা জব্দ (ফ্রিজ) করে রেখেছে। এ কারণে তাঁরা টাকা ফেরত পাচ্ছেন না।

বাংলাদেশ ব্যাংক গত জুনে ‘এসক্রো সিস্টেম’ চালু করেছে। এই পদ্ধতিতে ক্রেতার টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত পেমেন্ট গেটওয়ের কাছে জমা থাকে। কিউকমের পেমেন্ট গেটওয়ে ছিল ফস্টার পেমেন্টস।

এই পদ্ধতিতে কিউকম ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দিয়ে চালানসহ ডকুমেন্ট ফস্টারে জমা দেওয়ার কথা। এদিকে পণ্য বুঝে পাওয়ার পর ক্রেতা কিউকমকে টাকা দেবেন।

ক্রেতা পণ্য বুঝে না পেলে ফস্টার কর্তৃপক্ষ কিউকমের টাকা আটকে দেবে।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়া এক চিঠিতে ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকম জানায়, ফস্টার পেমেন্টস তাদের গ্রাহকদের ৪২০ কোটি টাকা আটকে রেখেছে।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, ফস্টার পেমেন্টসের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আছে।

default-image

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকম ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে পণ্য দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগ রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে ৩ অক্টোবর প্রতারণার অভিযোগে কিউকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ।

মানববন্ধন থেকে কিউকমের গ্রাহকেরা টাকা ফেরতসহ সাত দফা দাবি তুলে ধরেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন