উত্তর সিটির মেয়র বলেন, ট্রেড লাইসেন্স নেওয়ার সময় অবশ্যই টিকা সনদ দেখাতে হবে। অন্যান্য সেবা পেতেও টিকা সনদ দেখাতে হবে। তিনি বলেন, সরকার সবার জন্য টিকার ব্যবস্থা করেছে। কেউ টিকা নেবে, কেউ নেবে না, তা হবে না। সবাইকে টিকার আওতায় আসতে হবে।

গণটিকা কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে মেয়র আতিকুল ইসলাম শোভাযাত্রায় অংশ নেন। শোভাযাত্রাটি গুলশান-২ থেকে শুরু হয়ে গুলশান-১–এর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে তিতুমীর কলেজ প্রাঙ্গণ হয়ে মহাখালী কাঁচাবাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বাউলশিল্পীদের মনোজ্ঞ পরিবেশনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

উত্তর সিটির জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়, সংস্থাটির নিয়ন্ত্রণাধীন ৫টি নগর মাতৃসদনে এখন পর্যন্ত মোট ১২ লাখ ৬০ হাজার ব্যক্তিকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গণটিকার আওতায় আরও ২ লাখ ২৯ হাজার ৬২৩ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ডে ৫৪টি টিকাদান কেন্দ্র রয়েছে। এতে বুথ রয়েছে ৪৮৬টি। এ ছাড়া জরুরি বিবেচনায় ৪টি কমিউনিটিতে ৪টি টিকাদান কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

শোভাযাত্রায় সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শোভাযাত্রায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা অংশ নেন।

কর্মসূচিতে মেয়র আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, যাঁদের জন্মসনদ অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তাঁরাও ডিএনসিসির আওতাধীন ৫৪টি ওয়ার্ডে স্থাপিত টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা নিতে পারবেন। ১৮ বছরের নিচে যারা রয়েছে, তাদের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে আলাদা বুথের ব্যবস্থা থাকবে। নিবন্ধন ছাড়া যাঁরা ডিএনসিসির বুথ থেকে টিকা গ্রহণ করবেন, তাঁদের তাৎক্ষণিকভাবে টিকার সনদ দেওয়া হবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন