বিজ্ঞাপন

বিশেষ করে রাতে এই জায়গায় রাস্তার পাশে ব্যাগপত্র নিয়ে ট্রাকের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকেন অনেকে। খালি ট্রাক আসতে দেখলেই, হাত নেড়ে গন্তব্যের নাম বলেন। ট্রাক থামলে ভাড়া নিয়ে চলে দর-কষাকষি। বনিবনা হলে উঠে পড়েন ট্রাকে। কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যে ট্রাকে করে এভাবে বাড়ি যাচ্ছেন নিম্ন আয়ের অনেক মানুষ।

বগুড়াগামী একটি ট্রাকে বসে ছিলেন নুরু মিয়া। পেশায় রিকশা চালক। নুরু মিয়া বলেন, ‘হুনছি লকডাউন নাকি বাড়াব। ঢাকা থাইক্কা কি করতাম। তাই বাড়ি চইলা যাইতাসি।’

নুরু মিয়ার সঙ্গে ওই ট্রাকে বসে ছিলেন আরও ৮ থেক ১০ জন মানুষ। সবাই গ্রামে যাচ্ছেন বলে জানান। বগুড়া পর্যন্ত ৩০০ টাকা ভাড়া নিচ্ছে ট্রাকের চালক।

ঢাকায় তেজতুরী বাজারে একটি মেসে থেকে দিনমজুর হিসবে কাজ করতেন ইদ্রিস আলী। চলমান কঠোর বিধিনিষেধে কাজের সুযোগ কমে গেছে। একদিন কাজ জুটলে আরেকদিন জুটে না বলছিলেন তিনি। ইদ্রিস আলী বলেন, ‘ঢাকায় থাকলে তো না খেয়ে মরা লাগব। মেস বন্ধ, কাজ নেই, দোকানি বাকি দেয় না। এর চাইতে গ্রামে গিয়ে বাড়ির লোকদের সঙ্গে মরাই ভালো।’

পাবনা থেকে সবজি নিয়ে আসেন ট্রাক চালক চুন্নু মিয়া। তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে ফেরার সময় রাস্তায় অনেক লোক দাঁড়িয়ে থাকে। তারা নিয়ে যেতে অনুরোধ করে।আমরাও নিয়ে যাই। বিনিময়ে যাত্রীরা কিছু টাকা দেয়।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন