বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

যাত্রীরা বলছেন, যাঁরা ট্রেনে টিকিট ছাড়া ওঠেন, ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরীক্ষক বা টিটি তাঁদের তাৎক্ষণিক জরিমানা করে বাড়তি ভাড়ার টিকিট দেন। কাজটি হয় ট্রেনের ভেতরে, যাঁরা টিকিট ছাড়া ভ্রমণ করেন তাঁদের সঙ্গে। কিন্তু পরিবহন ধর্মঘটের সুযোগে জরিমানার কাজটি স্টেশনেই করছেন রেল কর্তৃপক্ষ। স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি নিষিদ্ধ থাকার সুযোগে তাঁরা এই টিকিট বিক্রি করছেন।

চট্টগ্রামের একটি ট্রেনের টিকিট কাটেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাহেদ হোসেন। তাঁর কাছে বাড়তি ভাড়ার ৩ আসনের টিকিটের দাম ৯৯০ টাকা রাখা হয়। প্রতিটির দাম ৩৩০ টাকা। যেখানে স্ট্যান্ডিং টিকিটের দাম ২০০ টাকার কম আর চট্টগ্রামের শোভন শ্রেণির টিকিটের দাম ২৭০ টাকা বলে জানান তিনি।

সাহেদ হোসেন বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ ধর্মঘটের সুযোগে টিকিট না পাওয়া সবাইকে ট্রেনে ভ্রমণের আগে স্টেশনেই সমানে জরিমানা করছে। এতে স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি না হলেও ট্রেনে যাত্রীবোঝাই থাকবে।

default-image

স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রির বিষয়ে একজন টিকিট বিক্রেতা প্রথম আলোকে বলেন, বাড়তি ভাড়ার টিকিট আসলে জরিমানার টিকিট। এটা স্বাভাবিক ভাড়ার সমপরিমাণ টাকায় বিক্রির সুযোগ নেই। ন্যূনতম ৪৫ টাকা বাড়তিতে সব গন্তব্যের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে।

বিষয়টি স্বীকার করেন কমলাপুর স্টেশনের মাস্টার আফছাড় উদ্দিন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ধর্মঘটের কারণে যাত্রীর চাপ প্রচুর। সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে বাড়তি ভাড়ার টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে।

default-image

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, পরিবহন ধর্মঘটের পর থেকেই স্টেশনে যাত্রীর চাপ বেড়ে গেছে। এ কারণে ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ যুক্ত করা হয়েছে। যে যে গন্তব্যে প্রয়োজন ওই ট্রেনগুলোতে এসব বগি যুক্ত করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

কমলাপুর স্টেশনের ব্যবস্থাপক মাসুদ সারোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, আজ বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেনে মোট ২২টি কোচ যুক্ত করা হয়েছে। কোনো স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে না।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন