স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার সকাল আটটা থেকে গতকাল শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। এ সময় ৭ হাজার ৩৩৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৫ জনের।

করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরে অধ্যাপক নাজমুল বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অনেকটা স্থিতিশীল। হাসপাতালে মেডিসিন ও শয্যা—কোনোটিরই সংকট নেই। টেলিমেডিসিন পরিষেবা চালু আছে।

দেশে করোনার টিকাদান পরিস্থিতি নিয়ে নাজমুল ইসলাম বলেন, এ পর্যন্ত ১২ কোটি ৬৮ লাখ মানুষ প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ৯ কোটি ৫৪ লাখ ২৪ হাজার ৪১ জন। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের টিকাদান অব্যাহত আছে। তিনি বলেন, এক দিনে কোটি টিকাদান কর্মসূচির আওতায় যেসব ব্যক্তি প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছিলেন, তাদের দ্বিতীয় ২৮ থেকে ৩০ মার্চ দ্বিতীয় ডোজের ক্যাম্পেইন শুরু হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, এখন পর্যন্ত দেশে ১৯ লাখ ৫১ হাজার ২৩৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ১৩১ জন। সুস্থতার হার ৯৬ দশমিক ২। আর আজ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৯ হাজার ১১৮ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর জানানো হয়। শুরুতে মৃত্যু অনিয়মিত থাকলেও ওই বছরের ৪ এপ্রিল থেকে করোনায় মৃত্যু ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এর পর থেকে দুই বছর ধরে চলা এই মহামারিকালে গত বছরের ২১ নভেম্বর ও ৯ ডিসেম্বর—এই দুই দিন ছিল করোনায় মৃত্যুশূন্য।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন