বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মমতাজ বেগম এসব কথা বলেন ডায়রিয়া সংকট মোকাবিলা ও সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণ শীর্ষক এক আলোচনা সভায়। আজ রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংলাপের আয়োজন করে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বেসরকারি গবেষণা সংস্থা বারসিক। সভায় বক্তারা সম্প্রতি ডায়রিয়া সংকট মোকাবিলায় নিরাপদ পানি নিশ্চিতের দাবি জানান।

সংলাপের শুরুতে ধারণাপত্র উত্থাপন করেন বারসিকের কর্মসূচি কর্মকর্তা সুদিপ্তা কর্মকার। তিনি ডায়রিয়া সংকট মোকাবিলায় সাতটি সুপারিশ উপস্থাপন করেন।

সুপারিশগুলো হলো, নিয়মিত পানির মান পরীক্ষা করে জনগণকে জানানো এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করার ব্যবস্থা করা; নগরের পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া; এ বছর ডায়ারিয়া-কলেরা রোগের প্রাদুর্ভাব কেন বেশি তা পরীক্ষা করে জনগণকে দ্রুত সচেতন করা; বেশি আক্রান্ত এলাকা চিহ্নিত করে ওয়াসা এবং স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের দ্রুত সেখানে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা, একই সঙ্গে সে এলাকার পানি পরীক্ষা করা; ডায়ারিয়া ও কলেরা আক্রান্ত রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা, বিশেষ ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা দেওয়া; সরবরাহকৃত পানির যথাযথ মান নিয়ন্ত্রণ এবং খোলা রাস্তায় ও ছোট দোকানে খাবার বিক্রেতাদের পানি বিশুদ্ধ রাখার জন্য নজরদারি বাড়ানো।

গবেষক পাভেল পার্থ নীতিনির্ধারণী মহলকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘পানিবাহিত রোগের সঙ্গে যেকোনো সময় ভিন্ন কোনো রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। করোনার অভিজ্ঞতা আমাদের আতঙ্কিত হতে বাধ্য করছে। দ্রুত ডায়রিয়া মোকাবিলায় নীতিনির্ধারণী মহলের সচেতনতা ও জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন। পানির সংকট নিরসনে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরি।’

পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, ওয়াসাকে নিয়মিত পানি পরীক্ষা করে জনসমক্ষে রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে সবাইকে পানি ব্যবহারে আরও সচেতন হতে হবে।

সংলাপে সভাপতিত্ব করেন বারসিকের পরিচালক রোমাইসা সামাদ। গবেষক পাভেল পার্থের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, সাধারণ সম্পাদক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আবদুস সোবহানসহ নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন