বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জোবায়দুর রহমান আরও বলেন, শিশুদের টিকা খাওয়ানোর ক্যাম্পেইন হলেও আমরা মূলত মায়েদের সচেতন করতে চাই। তাই এটিকে ‘ভিটামিন এ, প্লাস ক্যাম্পেইন’ নামকরণ করা হয়েছে। কারণ, একজন শিশুকে ভিটামিনের ক্যাপসুল খাওয়ানোর চেয়ে শাকসবজি খাওয়ানোর মাধ্যমে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করাটা বেশি উপকারী। তাই প্রত্যেক পরিবারে মায়েরা যদি সচেতনতার সঙ্গে সন্তানদের যত্ন নেন, তাহলে ভিটামিনের সমস্যা হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সিটি করপোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ডের কার্যালয়কে স্থায়ী টিকাদানকেন্দ্র করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন নগর মাতৃসদন কেন্দ্রসহ পাড়া-মহল্লার আরও ১ হাজার ৪৫১টি কেন্দ্রে টিকা খাওয়ানো হবে। ৬ মাসের নিচে এবং ৫ বছরের বেশি বয়সের শিশুকে টিকা খাওয়ানো হবে না। এ ছাড়া কোনো শিশু যদি অসুস্থতাজনিত কারণে গত ৪-৫ মাসের ভেতরে ভিটামিন-এ খেয়ে থাকে, তাহলে ওই শিশুও ক্যাপসুল খেতে পারবে না।

আগামীকাল শুক্রবার প্রতিটি এলাকায় মাইকিং করে ক্যাম্পেইনের বিষয়টি নগরবাসীকে জানানো হবে। তখনই এলাকাভিত্তিকভাবে কোথায় টিকা খাওয়ানো হবে, সেটা জানিয়ে দেওয়া হবে। এ ছাড়া মসজিদগুলোতেও জুমার নামাজের সময় ক্যাপসুল খাওয়ানোর কেন্দ্র জানিয়ে দেওয়া হবে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন