বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দাদের পার্ক ও মাঠগুলোকে দেখে রাখার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘মাঠগুলোকে আপনারা সন্তানের মতো ভালোবাসবেন, এটা আমার অনুরোধ।’

‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উন্মুক্ত স্থানসমূহের আধুনিকায়ন উন্নয়ন ও সবুজায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে সাতটি পার্ক আধুনিকায়নে ডিএনসিসির খরচ হয়েছে ২৬ কোটি ৪ লাখ টাকা। এই সাতটি পার্ক হলো শ্যামলী পার্ক, ইকবাল রোড পার্ক, হুমায়ুন রোড পার্ক, বনানী ব্লক-সি পার্ক, বারিধারা পার্ক, বনানী ব্লক-এফ পার্ক, রায়ের বাজার বৈশাখী খেলার মাঠ।

উত্তর সিটি জানায়, এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮টি পার্ক, ৪টি খেলার মাঠ, ৫০টি নতুন গণশৌচাগার, বিদ্যমান ২৩টি গণশৌচাগারের আধুনিকায়ন ও ২টি কবরস্থানের কাজ করা হচ্ছে। এর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২০২ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে প্রকল্পের সিংহভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ শেষ হবে আগামী জুনের মধ্যে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘শিশু-কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ—সব বয়সের মানুষ এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষসহ সবার সুবিধার কথা বিবেচনা করেই এই পার্ক ও মাঠগুলোর নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে। মাঠে শিশুদের ও বড়দের আলাদা খেলার জায়গা রয়েছে। নারীদের বসার সুব্যবস্থা, বসে খেলা উপভোগ করার জন্য গ্যালারিও রয়েছে। আমরা এলাকবাসীর সঙ্গে কথা বলে তাঁদের চাহিদার ভিত্তিতেই এসব পার্ক ও মাঠের নকশা প্রণয়ন করেছি।’

মেয়র জানান, এ মাঠে কখনো যেন পানি না জমে এ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এমনভাবে করা হয়েছে যেখানে ক্রিকেট ও ফুটবল—দুটি খেলাই খেলা যাবে। বহুমুখী উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ মাঠের নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর উদ্দেশে মেয়র আতিকুল বলেন, এগুলো আপনাদেরই সম্পদ। এখানে সবুজায়ন করে দেওয়া হয়েছে। মাঠ করে দেওয়া হয়েছে এবং খেলার সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে। এগুলো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কিন্তু আপনাদের নিতে হবে।

এ সময় তিনি উত্তর সিটির কর্মকর্তাদের আগামী সাত দিনের মধ্যে এসব পার্ক ও মাঠ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটি করার নির্দেশনা দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা–১৩ আসনের সাংসদ মো. সাদেক খান। উত্তর সিটির ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উত্তর সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহ. আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. শরীফ উদ্দীন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খন্দকার মাহাবুব আলম প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন