বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ফেরদৌস বলেন, ‘আমি “ওভারসিজ ট্রেনিং অ্যান্ড টেস্টিং সেন্টার”–এর ব্যবস্থাপক হিসেবে চাকরি করতাম। কমিশনের ভিত্তিতে লোক এনে দিতাম। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আমার ব্যবসা ছিল। গত আট বছরে বেতন, কমিশন ও ব্যবসা বাবদ প্রায় দুই কোটি টাকা প্রতিষ্ঠানটির কাছে আমার পাওনা। দীর্ঘদিন ধরে তারা পাওনা টাকা পরিশোধ করছে না।

পরে পাওনা টাকার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এবং উত্তরায় মানববন্ধন করি।’
ফেরদৌসের অভিযোগ, ‘পাওনা টাকার দাবিতে মানববন্ধন করার কারণে ওভারসিজ ট্রেনিং অ্যান্ড টেস্টিং সেন্টারের পক্ষে ডিবির গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) এস এম রেজাউল হক গত ৯ সেপ্টেম্বর আমাকে ডিবি কার্যালয়ে ডাকেন। ডিবি অফিসে গেলে পাওনা টাকা চাওয়ার কারণে আমাকে কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। শারীরিক নির্যাতনের একপর্যায় সাদা কাগজে আমার স্বাক্ষর রেখে দেন তাঁরা। তাঁরা আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন, আবার টাকা চাইলে পরিণতি খুবই খারাপ হবে।’

ফেরদৌস বলেন, তাঁকে ‘ক্রসফায়ার’ দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। পরে মধ্যরাতে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি পরবর্তী সময়ে মনিরুজ্জামান রাহিম, এডিসি রেজাউল হকসহ চারজনকে আসামি করে পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগে আদালতে মামলা করেন।

এ অভিযোগ সম্পর্কে ডিবির এডিসি এস এম রেজাউল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওভারসিজ ট্রেনিং অ্যান্ড টেস্টিং সেন্টারের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, এমন একটি অভিযোগ তদন্ত করতে আমরা জেড এম ফেরদৌসকে ডিবি অফিসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তাঁকে কোনো শারীরিক নির্যাতন করা হয়নি।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন