বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

তানজিল পরিবহনের একটি বাসে করে টেকনিক্যাল মোড় থেকে ১২ মিনিটে ফার্মগেট এসেছেন ইয়ামিন আলী। তিনি বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ইয়ামিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঈদের ছুটির পর আজকে প্রথম অফিসে যাচ্ছি। রাস্তায় কোথাও জ্যাম বা সিগন্যাল পড়েনি। অন্য সময় এই পথ পার হতে এক থেকে দেড় ঘণ্টা লাগে।’

প্রধান সড়কের পাশাপাশি গলিপথগুলোতে রিকশাসহ অন্যান্য যানবাহনের উপস্থিতি কম। সকালে অফিসগামী যাত্রীদের রিকশার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায়। অনেক রিকশাচালক ঈদ করতে বাড়িতে যাওয়ায় এবং যাত্রী কম থাকায় অনেকে রিকশা গ্যারেজ থেকে বের করেননি। রিকশা না পেয়ে অনেকে হেঁটেই গন্তব্যের দিকে রওনা দেন।

বিভিন্ন মোড়ে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের যাত্রীর অপেক্ষা করতে দেখা যায়। অটোরিকশা চালক মো. জাহিদ বলেন, ‘শ্যামলী বাসস্ট্যান্ডে ২০ মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে একজন যাত্রী পেয়েছি। জ্যাম থাকলে যে ভাড়া ২০০ থেকে ২৫০ টাকা হতো, সেটা ১৫০ টাকা হলেও নিচ্ছি। রাস্তা ফাঁকা হওয়ায় যেতে সময় লাগছে না।’

এবার ঈদের ছুটি তুলনামূলক দীর্ঘ ছিল। করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসায় দুই বছর পর এবার ঈদুল ফিতর হয়েছে অনেকটাই মুক্ত পরিবেশে। যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ না থাকায় এবার রেকর্ডসংখ্যক মানুষ ঢাকা ছেড়েছিলেন। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ কাটিয়ে তাঁরা ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। ঈদের সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটি শেষে কাল রাজধানীর সড়কে আবার যানজট হতে পারে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন