বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত ব্যক্তির বড় বোন সুলতানা মাজমুদা বলেন, ‘শওকত সকালে ব্যাংকে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়। দুপুরের খাবার নিয়েও বের হয়েছিল। বের হয়ে হয়তো সে লিফটে না উঠে ভবনের ছাদে চলে যায়। আমরা ধারণা করছি, সে আত্মহত্যা করেছে। তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। আগামী মাসে তাঁর সন্তানের পৃথিবীতে আসার কথা।’

সুলতানা জানান, শওকত মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল। তাঁর চিকিৎসা চলছিল। তবে গতকাল রাতেও শওকত তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কোনো পারিবারিক কলহ ছিল না। স্ত্রীকে নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শওকত সবুজবাগের বাসাবো নাভানা টাওয়ার ৯ তলা ভবনের পঞ্চম তলায় থাকতেন তাঁরা।

এ বিষয়ে সবুজবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ আমিনুল বাশার পরিবাবের বরাত দিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাঁর চিকিৎসা চলছিল। পরিবারের ধারণা, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। অফিসে কোনো ঝামেলা ছিল কি না, তা–ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, লাশটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন