বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাদীপক্ষের আইনজীবী খোরশেদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে মামলা রেকর্ড করতে দক্ষিণখান থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

জানতে চাইলে দক্ষিণখান থানার ওসি মুহাম্মদ মামুনুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘বুধবার আদালতের আদেশ পেয়েছি। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

কাউন্সিলর আনিসুর রহমান ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক। মামলায় আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন মো. রাজু ও মো. মাসুদ।

মামলায় নুরুল আক্তার দাবি করেছেন, তিনি ‘আশকোনা গাওয়াইর পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা জনকল্যাণ প্রকল্প’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী। ১৯৯০ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর সিটির ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসাবাড়ি, দোকান, মার্কেট, বাজার, রাস্তা ও পুল থেকে ময়লা–আবর্জনা সংগ্রহ ও অপসারণের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কাউন্সিলর আনিসুর রহমানের নির্দেশে মামলার আসামি রাজু ও মাসুদ তাঁর কাছ থেকে প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় বর্জ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত তাঁর প্রতিষ্ঠানের চারটি ভ্যানগাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গাড়ির চালকদের মারধর করা হয়েছে। নিয়মিত চাঁদা না দিলে মেরে ফেলা ও গুম করার হুমকি দেওয়া হয়।

মামলার বিষয়ে কাউন্সিলর আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, কেউ চাঁদাবাজি করলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে, এ অভিযোগ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন