default-image

আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ফ্রেঞ্চ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচার বিভাগের স্নাতকের ছাত্রী মরিয়ম মুন্নী গাছ কাটার ছবি দিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমাদের ইনস্টিটিউটে (আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট) আগেও একই জায়গার গাছ কাটা হয়েছিল৷ এখন আবার পার্কিংয়ের জায়গা বরাদ্দ বলে ৩০ বছরের পুরোনো করবী ফুলের গাছ কাটা হচ্ছে৷ খুবই দুঃখজনক৷ গাছটা খুব সুন্দর দেখাত৷’

আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট চত্বরের গাছ কাটার বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি বলে জানান আরবরি কালচার সেন্টারের পরিচালক ও উদ্ভিদবিজ্ঞানের অধ্যাপক মিহির লাল সাহা৷ তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাধারণত গাছ কাটা বা এ ধরনের বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তর থেকে আরবরি কালচার সেন্টারকে চিঠি দেওয়া হয়৷ আমরা সেটি ইনভেস্টিগেট করে (খতিয়ে দেখে) প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকি৷ কিন্তু আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে আরবরি কালচার সেন্টারে এ ধরনের কোনো চিঠি আসেনি৷ এই গাছ কাটার বিষয়ে আমাদের অবহিত করা হয়নি৷ গাছ কাটার কাজটিতে নিয়ম মানা হয়নি৷’

default-image

নিয়ম ভেঙে গাছ কাটার বিষয়ে বক্তব্য জানতে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক এ বি এম রেজাউল করিম ফকিরের মুঠোফোনে একাধিক কল ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি সাড়া দেননি৷

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে গাছ কাটা ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) এবং বৃক্ষায়ণ ও সৌন্দর্যবর্ধন কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ সামাদ৷ তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘গাড়ি রাখার জায়গা কীভাবে করা হবে, তা নিয়ে আলোচনা করা যেত৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা ঠিক হয়নি৷ আরবরি কালচার সেন্টারের পরিচালকের সঙ্গে কথা বলে আমরা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব৷’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন