বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৮ সালের ৬ মার্চ সকালে বাসা থেকে বের হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন মরিয়ম খাতুন। কাজ শেষে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে বাসায় ফেরার পর সন্ধ্যার আগে নিজের বাসায় খুন হন তিনি। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ভাই রেজাউল করিম বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে দারুস সালাম থানায় হত্যা মামলা করেন। কয়েক দিন পর কাঠমিস্ত্রি অমিত হাসান ও ইউসুফ ওরফে ঠান্ডা গ্রেপ্তার হন।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য বলছে, মরিয়ম খুনের দুই দিন পর ওই বাসার টয়লেটের প্যান থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ধারালো চাকু ও এক জোড়া স্যান্ডেল মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়। আসামি ইউসুফ ও অমিত কাঠমিস্ত্রি। তাঁরা দারুস সালাম এলাকায় বসবাস করতেন। ছয় থেকে সাত মাস আগে এই দুজনই মরিয়মের বাসায় আসবাব তৈরির কাজ করেন। ঘটনার দুই দিন আগেও ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলার একটি বাসায় কাজ করেছিলেন তাঁরা। তখন মরিয়ম তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বলে আসেন, তাঁর বাসার একটি কাঠের আলনা ঠিক করে দিতে হবে।

পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনার দিন এই দুজন বিকেল পাঁচটার পর ওই বাসায় যান। ঘরে ঢুকে তাঁরা মরিয়মকে টাকাপয়সা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র বের করে দিতে বলেন। মরিয়ম না দেওয়ায় তাঁরা চাকু দিয়ে জবাই করে হত্যা করে পালিয়ে যান।

ওই বছরের ১১ মার্চ আসামি অমিত হাসানের কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে নিহত মরিয়মের মুঠোফোন, ক্যামেরাসহ খোয়া যাওয়া জিনিসপত্র জব্দ করে পুলিশ।
এই মামলায় ২০১৮ সালের ৩১ মে দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ওই বছরের ১৩ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন