সোমবার দুপুরে ‘প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনসমূহ’–এর ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন বামপন্থী ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। পরে ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিলও করেন তাঁরা।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (বাসদ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি রাজিব কান্তি রায়ের সভাপতিত্বে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য জাবির আহমেদ সমাবেশ সঞ্চালনা করেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভর্তির আবেদন ফি ও ক্যানটিনে খাবারের দাম বাড়ানো বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। শাসকশ্রেণি যে দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিচালিত করছে, তার অবিচ্ছেদ্য অংশ এই শিক্ষা স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত। শিক্ষায় ক্রমাগত রাষ্ট্রীয় বরাদ্দের সংকোচন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে এমন সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের চরিত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

দফায় দফায় ক্যানটিনের খাবারের দাম বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি তীব্র থেকে তীব্রতর করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর খাবারের জন্য যে সুসংগঠিত ও সুলভ আয়োজনের প্রয়োজন ছিল, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার নীতি থেকে তাকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করা হচ্ছে।

সমাবেশে ছাত্রসংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে যে চার দফা দাবি জানানো হয়েছে, তার অন্য দুই দাবি হলো প্রশাসনিক উদ্যোগে হলে হলে ডাইনিং সিস্টেম চালু করা এবং খাবারের দাম ও মান নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং সেল গঠন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আদনান আজিজ চৌধুরী, সহসাধারণ সম্পাদক ফাহিম শিহাব, ছাত্র ফ্রন্টের (বাসদ) বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জেসান অর্ক মারান্ডি, ছাত্র ফেডারেশনের একাংশের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অর্থ সম্পাদক আরমানুল হক ও ছাত্র ফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত সাদ।