বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ৩০ আগস্ট প্রথম আলো অনলাইনে ‘ঢাবিতে সাড়ে ১৭ লাখ টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি হল ও আবাসিক ভবনে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম লোড ব্রেক সুইচ (এলবিএস) স্থাপনের প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজটি শেষ না হতেই ঠিকাদারকে তড়িঘড়ি করে চূড়ান্ত বিল পরিশোধের চেষ্টা চলছে। কাজ শেষ না হওয়া সত্ত্বেও গত জুনে এ-সংক্রান্ত বিলটি ‘পাস করা যায়’ বলে মতামত দেন প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ জোন-১) মো. লুৎফর রহমান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. লুৎফর রহমান ‘সিন্ডিকেট’ করে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের সাবেক-বর্তমান নেতা ও পছন্দের ব্যক্তিদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রকৌশলের কাজ দিয়ে থাকেন। কাজের মানের সুষ্ঠু তদারকির দায়িত্বে থাকলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তিনি বিষয়টি উপেক্ষা করেন। লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) মুহাম্মদ সামাদকে প্রধান করে গঠিত ওই তদন্ত কমিটির সদস্য ছিলেন সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, এস এম বাহালুল মজনুন ও আবুল মনসুর আহাম্মেদ এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক এ এইচ এম আসাদুল হক। এই কমিটির প্রতিবেদন বুধবার অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় উত্থাপন করা হয়।

সিন্ডিকেট সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) এ এস এম মাকসুদ কামাল প্রথম আলোকে বলেন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কেনায় লুৎফর রহমানের অনিয়মের অভিযোগে হওয়া তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সিন্ডিকেটে উত্থাপন করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে টেন্ডারের শর্ত শিথিল করে পছন্দের ব্যক্তিকে কাজ পাইয়ে দেওয়াসহ অনিয়মের বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে তদন্ত প্রতিবেদনে। পরে তাঁর শাস্তি নির্ধারণে সিন্ডিকেট থেকে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। উপাচার্য শিগগিরই ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দেবেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন