বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিন্ডিকেট সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) এ এস এম মাকসুদ কামাল প্রথম আলোকে বলেন, প্রথম আলোর প্রতিবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে উপাচার্য একটি প্রাথমিক তদন্ত কমিটি করে দিয়েছিলেন। ওই কমিটি যাঁদের দোষী মনে করেছে, সেই নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. লুৎফর রহমান ও তাঁর অধীন দুজন কর্মকর্তাকে সিন্ডিকেট সাময়িক বরখাস্ত করেছে। বিষয়টির অধিকতর তদন্তের জন্য সিন্ডিকেট থেকে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) মুহাম্মদ সামাদকে প্রধান করে গঠিত নতুন তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, এস এম বাহালুল মজনুন ও আবুল মনসুর আহাম্মদ এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক এ এইচ এম আসাদুল হক।

৩০ আগস্ট প্রথম আলো অনলাইনে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি হল ও আবাসিক ভবনে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম লোড ব্রেক সুইচ (এলবিএস) স্থাপনের প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজটি শেষ না হতেই ঠিকাদারকে তড়িঘড়ি করে চূড়ান্ত বিল পরিশোধের চেষ্টা চলছে। কাজ শেষ না হওয়া সত্ত্বেও গত জুনে এ-সংক্রান্ত বিলটি ‘পাস করা যায়’ বলে মতামত দেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. লুৎফর রহমান।

প্রতিবেদনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. লুৎফর রহমান ‘সিন্ডিকেট’ করে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের সাবেক-বর্তমান নেতা ও পছন্দের ব্যক্তিদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রকৌশলের কাজ দিয়ে থাকেন। কাজের মানের সুষ্ঠু তদারকির দায়িত্বে থাকলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তিনি বিষয়টি উপেক্ষা করেন। লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন