বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিবের আদালত শুনানি শেষে রিমান্ডের আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন মোল্লা দুই দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করে আবারও তিন দিনের রিমান্ড নেওয়ার আবেদন করেন। ১৫ ডিসেম্বর এ আসামির তিন দিন এবং ১৯ ডিসেম্বর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
বাদীপক্ষে আইনজীবী তুহিন বলেন, ‘নৃশংসভাবে এলমাকে হত্যা করা হয়। এর আগে লেখাপড়া বন্ধ না করায় তাঁকে নির্যাতনও করা হয়েছিল। আসামি একজন নারী নির্যাতনকারী। তাঁর রিমান্ডের প্রার্থনা করছি।’

আসামির আইনজীবী জিল্লুর রহমান রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, ‘ইফতেখারকে এর আগে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আজকে আবার তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। ১৯ ডিসেম্বর রিমান্ড আবেদনে যা বলা হয়েছিল, আজও আবেদনে একই কথা বলা হয়েছে। কোনো পার্থক্য নেই। পাঁচ দিন রিমান্ডে থাকার পরও কোনো তথ্য উদ্‌ঘাটন হয়নি। হবে কীভাবে! তাঁকে (এলমা) তো হত্যা করা হয়নি। তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এখানে মিডিয়া ট্রায়াল চলছে। মিডিয়া ট্রায়ালের কথা বিবেচনা করে বারবার রিমান্ড আবেদন করা হচ্ছে। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি বিবেচনা করবেন।’

১৪ ডিসেম্বর বিকেল চারটার দিকে রাজধানীর বনানীতে স্বামীর বাসায় মারা যান এলমা। তাঁর শরীরে আঘাতের অনেক চিহ্ন দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন সহপাঠীরা। তবে এলমার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির মানুষের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর রাতেই এলমার বাবা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় এলমার স্বামী ইফতেখার আবেদীন, শ্বশুর অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল মো. আমিন ও শাশুড়ি শিরিন আমিনকে আসামি করা হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন