বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দা রফিক মিয়া বলেন, ‘মাঠটি দখল হয়ে যাওয়ার পর ছেলেগুলো খেলাধুলা করতে পারছিল না। এখন আবার তারা মাঠে ফিরতে পেরেছে দেখে ভালো লাগছে। খেলাধুলা করতে পারলে শিশুদের শরীর-মন ভালো থাকে। তারা বিপথে যায় না।’
রফিক মিয়া আরও বলেন, মাঠে যে দেয়াল তৈরি করা হয়েছে, তা ভেঙে মাঠ উন্মুক্ত করে দিলে ভালো হয়।

কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠটি স্কয়ার হাসপাতালের উল্টো দিকের একটি গলিতে। এটি মূলত একটি খালি জায়গা। আয়তন ২০ শতাংশ। জায়গাটিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্তানেরা খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহার করত। এতে জানাজা, ঈদের নামাজ ও সামাজিক অনুষ্ঠান হতো।

পুলিশ জায়গাটি জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে প্রায় ২৮ কোটি টাকায় বরাদ্দ নিয়ে কলাবাগান থানার ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। এ জন্য সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করছিল।

মাঠটি রক্ষার দাবিতে অনেক দিন ধরে আন্দোলন চলছিল। এর মধ্যে গত রোববার মাঠটি রক্ষার দাবিতে আন্দোলনকারী সৈয়দা রত্না ও তাঁর কিশোর ছেলেকে পুলিশ ধরে নিয়ে ১৩ ঘণ্টা কলাবাগান থানায় আটকে রাখে। পরে প্রতিবাদের মুখে মধ্যরাতে মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর প্রতিদিনই মাঠটি রক্ষার দাবিতে কর্মসূচি পালন করে বিভিন্ন সংগঠন।

default-image

গত বুধবার আন্দোলনকারীরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে সচিবালয়ে দেখা করেন। বৈঠকে মন্ত্রী বিকল্প জায়গা পেলে তেঁতুলতলা মাঠ উন্মুক্ত রাখার বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে সচিবালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জানান, মাঠটিতে আর কোনো নির্মাণকাজ হবে না। জায়গাটি যেভাবে ছিল, সেভাবেই থাকবে। এটি আগের মতো এলাকাবাসী ব্যবহার করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন