default-image

রাজধানীর দক্ষিণখানে ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ (৩৫) হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবদুল হান্নান ওরফে জাপানি হান্নানকে চার দিন ও অস্ত্র মামলায় একদিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া হত্যা মামলায় জাপানি হান্নানের সাত সহযোগীর দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত আজ বৃহস্পতিবার পুলিশের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া এই ৮ আসামি হলেন আবদুল হান্নান ওরফে জাপানি হান্নান, আমিনুল ইসলাম হান্নান, মো. একরামুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, আল-আমিন প্রধান, জহুরুল ইসলাম, খোরশেদ আলম, মো. মোশাররফ হোসেন ও মো. নুরুন নবী।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার প্রধান আসামি হান্নানসহ আটজনকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত জাপানি হান্নানকে চার দিন ও অপর সাতজনকে দুদিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।

এ ছাড়া অস্ত্র মামলায় জাপানি হান্নানকে ১০ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। শুনানি নিয়ে আদালত তাঁকে এ মামলায় এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিজ্ঞাপন
default-image

পুলিশ সূত্র ও মামলার নথিপত্র থেকে জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাজধানীর দক্ষিণখানের আইনুসবাগে শটগানের গুলিতে ব্যবসায়ী আবদুর রশিদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তাঁর পরিবার ১৩ জনকে আসামি করে মামলা করে। এ ছাড়া অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে জাপানি হান্নানের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিহত আবদুর রশিদ ওই এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে। তিনি রড-সিমেন্টের ব্যবসা করতেন।

পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মো. শহিদুল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আবদুল হান্নানের সঙ্গে আবদুর রশিদের বিরোধ চলছিল। এর জের ধরেই আবদুর রশিদের বাসার সামনে তাঁর সঙ্গে হান্নানের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়।

হান্নান তখন বাসা থেকে শটগান এনে রশিদকে একাধিক গুলি করেন। আশপাশের বাসিন্দারা এসে তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর আবদুল হান্নানের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে একটি শটগান ও একটি পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন