বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ সিটির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে বেলা ১১টায় এ সভা শুরু হয়ে বেলা পৌনে তিনটার দিকে শেষ হয়। সভায় কাউন্সিলরদের সর্বসম্মতিক্রমে এ বাজেট পাস করা হয়।

সভা সূত্রে জানা গেছে, নতুন অর্থবছরে পাস হওয়া বাজেটের বেশির ভাগই নেওয়া হবে সরকারের কাছ থেকে। সরকারি থোক ও বৈদেশিক উৎস থেকে এবার বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। মোট বাজেটের বাকি টাকা নিজস্ব খাত থেকে আদায় করা হবে।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ইতিহাসে এবারের বাজেটের আকার সবচেয়ে বড়। রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বিগত সব বছরের রেকর্ড অতিক্রম করেছে। নতুন অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ২১৬ কোটি টাকা। গত বছর রাজস্ব আদায়ে প্রস্তাবিত বাজেট ছিল ১ হাজার ৯ কোটি টাকা। আর আদায় হয়েছে ৯৭৬ কোটি টাকা।

কর (হোল্ডিং, পরিচ্ছন্ন ও লাইটিং) খাতে আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ রাজস্ব গত অর্থবছরে আদায় হয়েছে।‌ গেল অর্থবছরে এ খাতে আদায় হয়েছে ৩৫০ কোটি টাকা। এর আগের বছরে আয় হয় ১৮২ কোটি টাকা।

একই ভাবে রাজস্ব আদায়ের অন্যান্য খাত বাজার সালামি, বাজার ভাড়া, ট্রেড লাইসেন্সসহ আগের বিভিন্ন বছরের চেয়ে গত বছর রাজস্ব আদায় বেশি হয়েছে।‌
চলতি অর্থবছরে নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৮৩৮ কোটি টাকা খরচ করে উন্নয়নমূলক কাজ করবে দক্ষিণ সিটি। গত বছর নিজেদের আয় থেকে ৪৮৭ কোটি টাকা উন্নয়নকাজের পেছনে খরচ করা হয়েছে।

এদিকে মশকনিধনে গত বছরের তুলনায় এবার বাজেটে বরাদ্দ কমেছে। মশকনিধনে ব্যবহৃত কীটনাশক খাতে গত অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৩০ কোটি টাকা। কিন্তু খরচ হয়েছে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তবে নতুন অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

আর মশা মারার যন্ত্র ফগার, হুইল ও স্প্রে মিশিন পরিবহনে গত অর্থবছরে খরচ করা হয়েছে ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরেও একই পরিমাণ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মুখপাত্র ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেট ঘোষণা করবেন। তবে দিন তারিখ এখনো ঠিক হয়নি।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন