গতকাল সোমবার ভোর পাঁচটায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ফাতেমার মা জেয়াসমিন আক্তার (২৫)। সকাল আটটায় মারা যান বাবা আবদুল করিম (৩০)।

আগুনে করিমের শরীরের ৫৪ শতাংশ ও তাঁর স্ত্রী জেয়াসমিনের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে যাত্রাবাড়ীর বাসায় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুনে শিশুসন্তানসহ জেয়াসমিন-করিম দম্পতি দগ্ধ হন। পরে তিনজনকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

জেয়াসমিনের বড় ভাই সুরুজ রানা জানান, চারতলা বাড়ির নিচতলায় সন্তানসহ থাকতেন জেয়াসমিন-করিম দম্পতি। ভোররাতে জেয়াসমিন সাহ্‌রি তৈরি করতে ওঠেন। রান্নার জন্য গ্যাসের চুলা জ্বালাতেই সারা ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফ্রিজের কম্প্রেসর বিস্ফোরিত হয়। এতে পরিবারটির তিন সদস্য দগ্ধ হয়।

জেয়াসমিন-করিম দম্পতির গ্রামের বাড়ি পাবনার সুজানগর উপজেলার বোনকোলা রাঘবপুর গ্রামে। এই দম্পতির একমাত্র মেয়ে ছিল ফাতেমা।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন