বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি আলাপকালে টিটু বলেন, ঢাকায় আসার পর ক্ষুধার জ্বালায় বাধ্য হয়ে মানুষের কাছে ভিক্ষা করা শুরু করেন। সেই যে ভিক্ষা করা শুরু হলো, এখনো চলছে।
মানুষের কাছে হাত পেতে যা পান, তা দিয়ে খাবার কিনে খান। টাকা না পেলে খিদের জ্বালায় কখনো কখনো উচ্ছিষ্টও খেতে হয়।

টিটুর বিষয়ে কারওয়ান বাজারের বেশ কয়েকজন দোকানি জানান, প্রায়ই তাঁকে হামাগুড়ি দিয়ে চলতে দেখা যায়। মানুষের কাছ থেকে চেয়েচিন্তে খেয়েপরে বেঁচে আছেন তিনি।

টিটুর রাত কাটে কারওয়ান বাজারের রাস্তার পাশে, সড়কদ্বীপে, ভবনের নিচে কিংবা দোকানের কোনো বারান্দায়। বরিশালে গ্রামের বাড়িতে পরিবারে মা-বাবা ও স্ত্রী আছেন বলে জানান টিটু।

জীর্ণ-শীর্ণ চেহারার টিটু একটু ভালো করে চলতে মানুষের কাছে সাহায্যের জন্য জানিয়েছেন আকুল আবেদন। ব্যস্ত নগরে একা একা কষ্টেসৃষ্টে কাটে তাঁর জীবন। তবু জীবন বয়ে যায়, বয়ে বেড়াতে হয়।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন