হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। যা পরে চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে।

চেম্বার বিচারপতি হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান।

এর ধারাবাহিকতায় ১৪ জুন আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে।

১৪ জুন আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলেন। বিষয়টি ১৯ জুন পর্যন্ত মুলতবি (স্ট্যান্ডওভার) রাখেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে রিট আবেদনকারীর আইনজীবীদের অধস্তন আদালতে তাঁদের (দুই আইনজীবীর) জামিনের জন্য আবেদন উপস্থাপন করতে বলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল আজ আপিল বিভাগে শুনানিতে ওঠে। আজ আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, অন্য উদ্দেশ্যে রিটটি নিয়ে আসা হয়েছে।

রিট আবেদনকারীর আইনজীবী অনীক আর হক হাইকোর্টে রিট আবেদনটি না চালানোর কথা উল্লেখ করে কাল সোমবার আদেশের জন্য দিন রাখার আরজি জানান। পরে আপিল বিভাগ আদেশ দেন।

জুরাইনে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে করা মামলায় ৮ জুন দুই আইনজীবীসহ পাঁচজনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত। এর মধ্যে দুই আইনজীবীকে আটক ও রিমান্ডের বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ ফজলে এলাহী হাইকোর্টে রিট করেন। এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ৯ জুন হাইকোর্ট রুল দিয়ে মামলার নথি তলব করেন।

দুজন আইনজীবী হলেন—ইয়াসিন আরাফাত ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী সোহাকুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে একজন ১৪ জুন অধস্তন আদালত থেকে জামিন পান।

৭ জুন সকালে ঢাকার জুরাইনে মোটরসাইকেল আরোহী এক দম্পতিকে আটকানোর পর কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ট্রাফিক পুলিশের ওপর চড়াও হন স্থানীয় লোকজন। এতে এক সার্জেন্টসহ পুলিশের তিন সদস্য আহত হন। ঘটনার দিন রাতে পুলিশ তিনজনের নাম উল্লেখ করে শ্যামপুর থানায় মামলা করে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন