বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রবেশপথে টানেলগুলো সচল নয়

সকালে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, বিপণিবিতানটির প্রবেশপথগুলোতে জীবাণুনাশক টানেল বসানো। তবে এগুলো চলছে না। টানেলের সামনে একজন নিরাপত্তাকর্মী থার্মাল স্ক্যানার হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। তবে সেটি দিয়ে দর্শনার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে না। বিপণিবিতানে প্রবেশের সময় প্রত্যেকের হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে।

default-image

আদালত যেদিকে যান, সেখানেই বিদ্যুৎ চলে যায়

ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রথমে বিপণিবিতানটির দোতলায় অভিযান শুরু করেন। আদালত এ সময় বিপণিবিতানটির ওই তলায় ঘুরে ঘুরে দোকানি ও দর্শনার্থী ক্রেতাদের মুখে মাস্ক আছে কি না, তা দেখেন। যাঁদের মুখে মাস্ক ছিল না, তাঁদের জরিমানা করা হয়। এস্কেলেটর বন্ধ থাকায় এরপর আদালত হেঁটেই তৃতীয় তলায় যান। এই তলাতেও এসে দেখেন বিদ্যুৎ একপাশে আছে, আরেক পাশে নেই। যে পাশে বিদ্যুৎ আছে, সেখানে যেতেই বিদ্যুৎ–সংযোগ চলে যাচ্ছিল। আদালত এ সময় বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘এ পাশে ইলেকট্রিসিটি আছে, অন্য পাশে নেই। কী অদ্ভুত।’

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে মার্কেট কর্তৃপক্ষ যাঁরা আছেন, তাঁরা ভালো বলতে পারবেন। তবে মার্কেটে বিদ্যুৎ না থাকার ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েরই কষ্ট হচ্ছে।

রাশেদুল ইসলাম তাঁর দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে এসেছেন ঈদের শপিং করতে। প্রত্যেকের মুখেই অবশ্য মাস্ক ছিল। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সকাল থেকেই দেখছি মার্কেটে বিদ্যুৎ নেই। এই গরমে দম নিতেও তো কষ্ট হচ্ছে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন