ইফতারের আগে দুটি এতিমখানাতেই মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। জামিয়া আম্বর শাহ আল ইসলামিয়া এতিমখানা ও মাদ্রাসায় মোনাজাত পরিচালনা করেন এতিমখানার সুপারভাইজার মাওলানা মো. নুরুল হক শেখ। মোনাজাতে মহান আল্লাহর রহমত চেয়ে বিশেষ দোয়া করা হয়। পাশাপাশি দেশ ও প্রথম আলোর সার্বিক কল্যাণ ও উন্নতি কামনা করা হয়।

default-image

২০১১ সাল থেকে প্রথম আলো প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাসে এতিম শিশুদের মধ্যে ইফতারি ও খাবার বিতরণ করছে। আজ কারওয়ান বাজারের জামিয়া আম্বর শাহ আল ইসলামিয়া এতিমখানা ও মাদ্রাসায় প্রতিষ্ঠানটির ২৪০ শিক্ষার্থীকে ইফতার ও রাতের খাবার দেওয়া হয়। ইফতারের আগে সংক্ষিপ্ত দোয়ায় উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হক, হেড অব সিকিউরিটি মেজর (অব.) সাজ্জাদুল কবির, প্রশাসন বিভাগের ব্যবস্থাপক এ বি এম খায়রুল কবির।

একই সময় তেজগাঁওয়ের পূর্ব তেজতুরী বাজারে অবস্থিত রহমতে আলম ইসলাম মিশন ও ইসলাম মিশন এতিমখানায় ১ হাজার ৬০ শিক্ষার্থীকে ইফতার ও রাতের খাবার দেওয়া হয়। মিশনের অধীন পরিচালিত মদিনাতুল উলুম মডেল ইনস্টিটিউট বালক ও মহিলা কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য এ আয়োজন করা হয়। ইফতার অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ ও রেক্টর (মহিলা মাদ্রাসা) মাওলানা মো. তাজুল আলম, মিশনের তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা নজরুল ইসলাম ও মাদরাসা-ই-হেফজুল কোরআনের শিক্ষক হাফেজ মাওলানা জমসেদ, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ (বালক মাদ্রাসা) মাওলানা মোস্তফা কামাল, উপাধ্যক্ষ (মহিলা মাদ্রাসা) মাওলানা নাসির উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

default-image

অনুষ্ঠানে মাওলানা মো. তাজুল আলম বলেন, ‘অনেক বছর ধরে এখানে ইফতারি ও খাবার দিচ্ছে প্রথম আলো। প্রথম আলো পত্রিকা এখানে পড়া হয়। প্রথম আলোর এই উদ্যোগকে আল্লাহ আরও বেশি বেশি কবুল করুন।’

ইফতারের আগে বিশেষ মোনাজাত করেন তাজুল আলম। মোনাজাতে দেশ-জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা, করোনাভাইরাসসহ সব ধরনের মহামারি থেকে হেফাজতের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়। কামনা করা হয় প্রথম আলোর কল্যাণ ও উন্নতিও।

default-image

এ সময় প্রথম আলোর উপসম্পাদক লাজ্জাত এনাব মহছি শিক্ষার্থীদের হাতে ইফতারি ও খাবার তুলে দেন। সঙ্গে ছিলেন প্রথম আলোর মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান শামীম খান, নির্বাহী ইশরাত জাহান, হিসাব বিভাগের উপব্যবস্থাপক মো. এজাজুল হকসহ প্রশাসন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন