বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাকিবুল হাসান জানান, কয়েকজন ভুক্তভোগী র‌্যাবের কাছে অভিযোগ করেন, একটি চক্র ভ্রমণ ভিসায় তাঁদের মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে পাঠাতে চেয়েছিল। এ জন্য তাঁদের ভুয়া বহির্গমন ছাড়পত্র সরবরাহ করে চক্রটি। বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে কর্তব্যরত জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর সদস্যরা এ নকল ছাড়পত্র ধরে ফেলেন। ফলে তাঁদের বিদেশ যাত্রা স্থগিত হয়। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান জানান, নাইম খান এ মানব পাচার চক্রের প্রধান, তিনি দুবাইপ্রবাসী। চলতি বছরের মে মাসে তিনি দেশে আসেন। তিনি উচ্চমাধ্যমিক পাস। নাইম ২০১২ সালে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে দুবাই যান। সেখানে গিয়ে তিনি মানব পাচারে জড়িয়ে পড়েন।

রাকিবুল হাসান আরও বলেন, দুবাইয়ে এবং বাংলাদেশে পরিচিতজনদের মাধ্যমে নাইম বিদেশে কাজ করতে আগ্রহী ব্যক্তিদের উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখান। দুই থেকে তিন লাখ টাকার বিনিময়ে তিনি তাঁদের ভ্রমণ ভিসায় দুবাই নিয়ে যেতেন।

সেখানে যাওয়ার পর কেউ কেউ কাজের সুযোগ পেলেও অধিকাংশই কাজ পাননি। ফলে তাঁরা দুবাইয়ে মানবেতর জীবন যাপন করেন। এভাবে সাত বছরে পাঁচ শতাধিক ব্যক্তিকে দুবাই পাচার করেছেন নাইম।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুবাইয়ে ফারুক নামের নাইমের একজন সহযোগী রয়েছে। গ্রেপ্তার নুরে আলম শাহরিয়ার বাংলাদেশে ফারুকের মূল সহযোগী। শাহরিয়ার ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করে দিতেন। কসবায় তাঁর কম্পিউটার কম্পোজ ও ফটোকপির দোকান রয়েছে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকেই ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন