বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, নিবন্ধিত সংগঠনগুলোর আন্দোলন ও দাবি আদায়ের নিয়মনীতি থাকলেও পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো কথায় কথায় ধর্মঘট করছে। তিনি পরিবহন সংগঠনগুলোর নেতাদের প্রশ্ন করে বলেন, দেশের মানুষকে জিম্মি করে পরিবহন ধর্মঘট কেন? গত দুই দিনে পরিবহন ধর্মঘটের কারণে হাজারো যাত্রীকে নানা ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান, এ ধর্মঘটের মাধ্যমে পরিবহন মালিকেরা জনগণকে জিম্মি করে তাঁদের ইচ্ছেমতো ভাড়া বাড়িয়ে নেবে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী আরও জানান, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে জনগণকে আরেক দফা সংকটে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। ছয় লাখ কোটি টাকার জাতীয় বাজেটে জ্বালানি খাতে মূল্য না বাড়িয়েও ছয় হাজার কোটি টাকা বছরে ভুর্তকি দেওয়ার ক্ষমতা সরকারের রয়েছে। তিনি অনতিবিলম্বে জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করে পরিবহন ধর্মঘটের নামে নৈরাজ্য বন্ধের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে যাত্রী কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য শরীফুজ্জামান, সহসভাপতি তাওহীদুল হক, যুগ্ম মহাসচিব এম মনিরুল হক উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন