বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, দেশের দুটি সরকারি মানসিক হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ রোগীই সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। উপজেলা পর্যায়েও যেন এমন রোগীর চিকিৎসা দেওয়া যায়, সেভাবেই গাইডলাইনটি তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

আলোচকেরা তাঁদের বক্তব্যে সিজোফ্রেনিয়া গাইডলাইনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। আরও পাঁচটি গুরুতর রোগের গাইডলাইন প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানানো হয় অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, অসংক্রামক রোগের মধ্যে মানসিক রোগ বাড়ছে। অনেকে সামাজিক লজ্জার কারণে চিকিৎসা নিতে চান না। মানসিক রোগের কারণেই প্রতিবছর ১৭ থেকে ২০ হাজার লোক আত্মহত্যা করছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে মানসিক স্বাস্থ্য আইন আছে। মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। পাবনা মানসিক হাসপাতাল আরও বিস্তৃত করার কাজ চলছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হচ্ছে দেশব্যাপী। তিনি আরও বলেন, ‘আট বিভাগে আটটি হাসপাতালে মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সিজোফ্রেনিয়ার সব রোগী যেন চিকিৎসা পান, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। দেশের চিকিৎসকেরাই ভালো মানের সেবা দিতে পারেন, আমরা সেই ব্যবস্থাই করছি।’

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, সিজোফ্রেনিয়ার গাইডলাইনটি যাতে উপজেলা পর্যন্ত সবাই ব্যবহার করে, সে জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সচেষ্ট থাকবে। সব জেলার সিভিল সার্জনসহ মেডিকেল কলেজের সংশ্লিষ্ট সবার কাছে এই গাইডলাইন পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া পোস্ট কোভিডে যাঁরা মনোরোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের চিকিৎসার ব্যাপারেও মনোচিকিৎসকদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকার কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

গাইডলাইনটি তৈরিতে সার্বিক সহায়তা করে সান ফার্মাসিউটিক্যালস (বাংলাদেশ) লিমিটেড। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিসহ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয় আয়োজকদের পক্ষ থেকে।

অনুষ্ঠানে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, মনোবিজ্ঞানী ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে পেশাজীবী এবং মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন