বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিজের কারাবাসের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মাহমুদুর রহমান অনুষ্ঠানে বলেন, ‘কারাগারের ভেতরে যেসব কথা আমি লিখেছি, ওইখানে যা দুর্নীতি হয় তা নিয়ে, কিন্তু কারাগারের বাইরে কি দুর্নীতি কম হয়? কারাগারের ভেতরে যে রকম অমানবিক আচরণ হয়, দেশে কি মানবিক আচরণ হচ্ছে?’

একটা সামাজিক ন্যায়বিচারের সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘অন্যায়ের সঙ্গে কোনো নতি স্বীকার নেই। এখন সবাইকে নিজ জায়গা থেকে দৃঢ় হতে হবে। আমরা অধিকারের কথা, মতপ্রকাশের কথা, আমরা ভোট দিতে চাই। সেটা চাই মানে দাবি নয়, এটা নিজের বিবেককে বলা।’

বাংলাদেশ ধাপে ধাপে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে’ পরিণত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনজীবী শাহদীন মালিক। তিনি বলেন, এর প্রথম ধাপ হলো কর্তৃত্ববাদী সরকার। দ্বিতীয় ধাপে ওই কর্তৃত্ববাদী সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর বিশালভাবে নির্ভরশীল হয়ে ওঠে। তৃতীয় ধাপ হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বড় অংশ ক্রমশ নিজেরাই অপরাধী হয়ে যায়।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, এ সরকারের কাছে মাদকসেবী, চোর, ডাকাত, টাকা পাচারকারীদের জন্য সম্মান আছে। কিন্তু যাঁরা সরকারের বিরোধিতা করেন, প্রতিবাদ করেন, যাঁদের কণ্ঠস্বর উচ্চ, তাঁদের সম্মান দেওয়া হয় না।

পরিচ্ছন্ন রাজনীতির চর্চা দেশে নেই উল্লেখ করে শিক্ষক–কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়া বলেন, বর্তমানে রাজনীতিবিদেরা লেখাপড়া করেন না। মাস্তানেরা এখন রাজনীতি করেন। রাজনীতিবিদদের পদ–পদবি এখন বিক্রি হয়। এর গুণগত পরিবর্তন না হলে সামনে এগোনো যাবে না।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মাহমুদুর রহমানের ‘কারাবাসের বাইশ মাস’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। নাগরিক যুব ঐক্যের সমন্বয়ক এস এম এ কবীর হাসানের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের শিক্ষক জাহেদ উর রহমান প্রমুখ।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন