বৃষ্টির মধ্যে তেলের জন্য ঘুরছিলেন কলাবাগানের লাল ফকিরের গলির বাসিন্দা মো. তারিকুল ইসলাম। দোকানের সামনে তাঁর সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, ‘রান্না করবে, কিন্তু তেল নেই৷ তেলের জন্য এ এলাকার সাত থেকে আটটি দোকান খুঁজলাম। কোথাও পেলাম না। এখন সয়াবিন না পেলে অল্প হলেও শর্ষের তেল কিনতে হবে।’

নিরাপত্তাপ্রহরীর চাকরি করেন তরিকুল। পরিবারের তিন সদস্য। বেতন পান ৮ হাজার টাকা। তিনি বলেন, ‘মাসে তেল কিনতেই যদি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা চলে যায়, তাহলে বাসা ভাড়া দেওয়া ও অন্যান্য বাজার করব কীভাবে?’

পশ্চিম পান্থপথের নতুন বউবাজারের জিহাদ জেনারেল স্টোরের দোকানি মো. জাহাঙ্গীর বলেন, ‘এখনো আমাদের দোকানে তেল আসেনি। অর্ডারও নেয়নি। এখন যে কাস্টমার আসে, তাতে এক দিনে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার তেল বেচা যায়। তেল সব জায়গায় থাকলে এত কাস্টমার আসত না।’

কাঁঠালবাগানের পুরোনো গ্যাস্ট্রোলিভার গলির মা জেনারেল স্টোরের মালিক আকরাম হোসেন বলেন, ‘আমাদের এখনো তেল দেয়নি। কেউ অর্ডার নিতেও আসেনি। আমার আজকে মেহমান আসবে। দোকান রেখে আমাকে তেলের জন্য বেরোতে হবে।’

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন