বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কৃষিমন্ত্রী বলেন, যেসব ধর্মান্ধ ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি মুক্তিযুদ্ধের সময় লাখ লাখ মানুষকে ধর্মের নামে হত্যা করেছিল, দুই লাখ মা-বোনকে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে তুলে দিয়ে ইজ্জত হরণ করেছিল, তারা এখনো সক্রিয়। তারাই এখনো সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ায়, পূজামণ্ডপে আঘাত করে। তারাই এখনো মেয়েদের পড়াশোনা করতে দিতে চায় না, নারীদের অগ্রগতিতে বাধা দেয়। তাদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।

উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জঙ্গিবাদ ও ধর্মান্ধতা রুখতে তোমাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। তোমরা সম্ভাবনাময় আগামী প্রজন্ম। তোমরাই জঙ্গিবাদ ও ধর্মান্ধতা মোকাবিলা করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়বে।’

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে কাজ করছে বর্তমান সরকার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে, বিজ্ঞানমনস্ক ও মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন আগামী প্রজন্ম গড়ে তুলতে এই নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হচ্ছে। নতুন পাঠ্যক্রমের আরেকটি উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষা হবে আনন্দময়। সারাক্ষণ পরীক্ষার ভয় আর অনেক অনেক বইয়ের চাপ শুধু যেন না হয়। বিশাল সিলেবাসের পরীক্ষা আর হবে না। সারা বছরে স্কুলে বিভিন্ন কার্যক্রমের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. মনোয়ার হোসেন।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন